রোজা রাখার নিয়ত ও ইফতারের দোয়া আরবি এবং বাংলা উচ্চারণ (PDF Download)

রোজা রাখার নিয়ত ও ইফতারের দোয়া আরবি এবং বাংলা উচ্চারণ (PDF Download)…The holy month of Ramadan is a very important and significant month for Muslims. The Holy Quran has been revealed this month. After waiting for 11 months, devout Muslims fast during the holy month of Ramadan. Preparations for the month of Ramadan begin from the beginning of the Arabic month of Rajab. The Holy Prophet (peace and blessings of Allaah be upon him) used to recite the following prayer more and more from the beginning of the month of Rajab.

“Allahumma barik lana fi rajaba, wa shabana, wa balligna ramadan” (meaning O Allah bless us in the month of Rajab and Shaban, keep us alive till the month of Ramadan).

As a result of the rosary, mutual harmony, sympathy, and sympathy are created among the people of the society. As a result of fasting, a person can easily understand the feelings of a hungry person. He can realize how painful hunger and thirst are. It awakens the feeling of sympathy towards the helpless people. The Prophet Muhammad (peace and blessings of Allaah be upon him) said: “This month is the month of compassion” (Ibn Khuzaymah).

রোজার নিয়ত ও ইফতারের দোয়া

রোজার ধর্মীয় গুরুত্ব:

ধর্মের দিক থেকে রোজা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রমজান মাসে আল্লাহ সব ভালো কাজের প্রতিদান ১০ থেকে ৭০০ গুণ বাড়িয়ে দেন। রোজাদারের দোয়া আল্লাহ তালা খুব দ্রুত কবুল করেন। এ সম্পর্কে মহানবী হযরত ম‌েহোম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- “যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস ও সওয়াবের আশায় রমজান মাসের রোজা রাখে, আল্লাহ তায়ালা তার পূর্বের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেন”। এটি একটি অপরিহার্য কাজ।  কেউ যদি এটা অস্বীকার করে সে কাফের হয়ে যাবে।

রোজার সামাজিক গুরুত্ব:

যারা রোজা রাখেন তারা অযৌক্তিক ও অশ্লীল কথা বলা এড়িয়ে যান। ফলে হিংসা, ঝগড়া, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই এবং অন্যান্য অন্যায় আচরণ থেকে রোযাদারগণ বিরত থাকে। সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়, ভ্রাতৃত্ববোধ সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে ও বিশ্বাস স্থাপন হয়। রমজান মাসে রোযাদারগণ একজনের বাড়ি থেকে অন্যজনের বাড়িতে  ইফতার আদান-প্রদান করেন, সেহরির সময় পাড়া-প্রতিবেশী কে সেহরির জন্য ডাকা হয়, মসজিদে একসঙ্গে মুসল্লীরা ইফতার করে, ফলে সামাজিক ভাতৃত্ববোধ বৃদ্ধি পায়।

রোজার নিয়ত ও ইফতারের দোয়া বাংলাঃ

বাংলায় রোজার নিয়ত / বাংলায় কি ভাবে রো্জ়ার নিয়ত করবেনঃ

উচ্চারণ : নাওয়াইতুয়ান আছুম্মা গাদাম মিন শাহরি রমাদ্বান, রমাজানাল মুবারাকি ফারদাল্লাকা, ইয়া আল্লাহু ফাতাকাব্বাল মিন্নি ইন্নিকা আনতাস সামিউল আলিম।

বাংলায় নিয়ত : হে আল্লাহ! আমি আগামীকাল  তোমার পক্ষ থেকে নির্ধারিত রমজান মাসের ফরজ রোজা রাখার ইচ্ছা পোষণ (নিয়্যত) করলাম। অতএব তুমি আমার  রোযা তথা পানাহার থেকে বিরত থাকাকে কবুল কর, নিশ্চয়ই তুমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।

ইফতারের দোয়া

বাংলায় ইফতারের দোয়াঃ

ইফতারের কিছুক্ষণ পূর্বে ‘ইয়া ওয়াসিয়াল মাগফিরাতি, ইগফিরলী’ এ দোয়াটি বেশী বেশী পড়তে হবে। অর্থঃ হে মহান ক্ষমা দানকারী! আমাকে ক্ষমা করুন। (শু‘আবুল ঈমান: ৩/৪০৭)

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া আলা রিযক্বিকা ওয়া আফতারতু বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমিন।

ইফতারের দোয়া

যাহাবায যামা – উ  আবতাল্লাতিল উরুকবু যাবাতাল আজরু ইন শাআল্লাহ ।( পিপাসা নিবারিত হলো, শিরা-উপশিরা সিক্ত হলো এবং আল্লাহর ইচ্ছায় পুরস্কার নির্ধারিত হলো।)

ফজিলত এর দিক দিয়ে রমজান মাস কে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে:

  1. রহমতের ১০ দিন :- রমজান মাসের প্রথম দশ দিন কে বলা হয় রহমত। প্রথমে দশ দিনে বেশি বেশি যে দোয়া পড়ার কথা বলা আছে তা হলে ” ইয়া আরহামার রাহেমীন”।
  2. মাগফিরাতের ১০ দিন:- রমজান মাসের দ্বিতীয় দশ দিনকে বলা হয় মাগফেরাতের দিন। দ্বিতীয় দশ দিন অর্থাৎ ১১ রমজান থেকে ২০ রমজান পর্যন্ত আমাদের সকলকে বেশি বেশি “আস্তাগফিরুল্লাহ হাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়ুল কাইয়ুম ওয়াতুবি ইলাইহি” পড়ার জন্য বলা হয়।
  3. নাজাতের ১০ দিন :- রমজান মাসের শেষ ১০ দিনকে বলা হয় নাজাদের দিন। এই দশদিনে অনেক আমলের পাশাপাশি আমাদের বেশি বেশি পড়া উচিত “আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান্নার”।

রমজান মাসের শেষ দশকের বেজোড় রাত্রিতে পড়ার দোয়া :-  “আল্লা – হুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফাফু আন্নি”। ( হে আল্লাহ তুমি ক্ষমাশীল, তুমি ক্ষমা করতে পছন্দ করো অতএব আমাকে ক্ষমা করো)

 রমজান মাসের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২২

আগামী ৩০ এপ্রিল, রবিবার বাংলাদেশে পহেলা রমজান শুরু হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রমজানের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি আমাদের সকলেরই জানা প্রয়োজন। এই পোষ্টের মাধ্যমে আমরা রমজান মাসে বাংলাদেশের ৬৪ জেলার কোথায় কোন সময় সেহরি ও ইফতার আপনাদেরকে জানাতে সাহায্য করবো। বাংলাদেশ একটি ছোট দেশ হলেও এখানে সেহরি ও ইফতারের সময় একটি জেলা থেকে আরেকটি জেলার ভিন্ন।  সর্ব দক্ষিণ – পূর্বের জেলাগুলোতে সেহরি ও ইফতারের সময় আগে এবং সর্ব উত্তর –  পশ্চিমের জেলাগুলোতে সে তুলনায় সেহরি ও ইফতার কয়েক মিনিট পরে। ঢাকার সাথে বিভিন্ন জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়ের পার্থক্য রয়েছে। এই পোস্টের মাধ্যমে আমরা সকল জেলার সেহরি ও ইফতারের সঠিক সময় জানতে পারব।

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *